ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা

আগের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছেন পাইকার আড়ৎদার ও আমদানিকারকেরা। স্থলবন্দরগুলোতে ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লেও পুরোনো দামে বিক্রির পাশাপাশি কম দামে কেনা নতুন পেঁয়াজ মজুদ করছে এই সিনডিকেট। তবে সরবরাহ বাড়ায় আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানাচ্ছে আমদানিকারকেরা।

বন্দর থেকে রাজধানীর পাইকারী বাজার। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দামের ব্যবধান ৯ টাকা। কারওয়ান বাজারে ভারত থেকে আসা নাসিক পেঁয়াজের দাম পাইকাররা রাখছেন ৫৪ টাকা কেজি বন্দরে যা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়।
তবে বেনাপোল স্থলবন্দরে পেঁয়াজের ঘাটতি নেই। দামও ধীরে ধীরে কমছে। একই চিত্র হিলিতেও। সবশেষ তথ্য বলছে, বাজারে এসেছে ভারতের নতুন পেঁয়াজ ভেলোর ও নাসিক। পাশাপাশি অন্যান্য পেঁয়াজের সরবরাহও স্বাভাবিক হচ্ছে।

তবে রাজধানীর আড়ৎ ঘুরে দেখা আড়ৎ মালিক ও আমদানিকারকেরা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ ছাড়ছেন না। কেউ কেউ আবার বন্ধ রেখেছেন আমদানি। রাজ ট্রেডিংয়ের ব্যবস্থাপক জানালেন, ঈদের পর মিসর ও পাকিস্তান থেকে আমদানি করা পেঁয়াজে লোকসান দিতে হয়েছে।

মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত চার মাসে চার লাখ টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানির তথ্য দিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। যা সেসময় বিক্রিই হয়নি। আলহ্বাজ ভাণ্ডারের আমদানিকারক জানালেন, আড়তের সেসব পুরনো পেঁয়াজ নতুন দরে বিক্রি করলে কেজিতে লোকসান হবে ৩ টাকা। তাই আগের বাড়তি দামই বহাল রাখছে পাইকার-আমদানীকারকেরা।

দেশে ১৭ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। চাহিদা মেটাতে আরো ৫ থেকে ৬ লাখ টন আমদানি করতে হয় প্রতি বছর। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের বাজারদরের তালিকা অনুযায়ী এক মাসে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৭১ শতাংশ।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*