ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার অংশে সড়কের উপরেই বাড়ছে অবৈধ্য পাকিং ও গাড়ির ষ্ট্যান্ড

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ৯৪ কিলোমিটার অংশই কুমিল্লা জেলার মধ্যে ।গুরুত্বপূর্ন জাতীয় এই মহাসড়কটি জনগনের জীবনমাত্রা পাল্টে দিয়েছে ।

জানা যায়, মহাসড়কটি দুই লেন থেকে চার লেনে উন্নতি করার পরও কমছে না দূর্ঘটনা। দৈনন্দিন সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ। তবে বেশির ভাগ দূর্ঘটনা গুলো হচ্ছে মহাসড়কের উপরে অবৈধ্য পাকিং এর কারনে । রাত কিংবা দিনে ট্রাক ড্রাইভার সহ পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তার মাঝে গাড়ি পাকিং করে বিশ্রাম নেয় তার ফল হিসাবে দ্রুত গ্রামী পরিবহন গুলো নিয়ন্তন হারিয়ে খাদে কিংবা রাস্তার পাশেই দূর্ঘটনার কবলে পড়ে ,তার ফলে জান এবং মাল দুটোর ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে, গত এক সপ্তাহে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রান গেছে স্কুল কলেজ শিক্ষার্থী ও পথচারী যাত্রী সহ প্রায় ৭ জনের। দিন দিন মহাসড়ক হয়ে উঠছে প্রাণ ঘাতী এক আতংকের নাম।এই সমস্যার সমাধান না করতে করতেই আরেক সমস্যা এখন গলার কাটাঁ হয়ে দাড়িয়েছে।কিছু অসাধু প্রভাবশালী তৈরী করে আছে মাইক্রো ,লেগুনা ,মারতি ষ্ট্যান্ড আর কুমিল্লার নগরীর অন্যতম পর্যটন এলাকা কোটবাড়ী এবং কুমিল্লা বার্ডে প্রবেশ দ্বারে মহাসড়কের উপরেই চলছে রেন্ট এ কার ব্যবসা।একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতা ও দালাল সিন্ডিকেট মহাসড়কের কোটবাড়ি অংশে রাস্তার ওপরেই গড়ে তুলছে বাস ষ্টান্ড। অভিযোগ রয়েছে ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশ কোটবাড়ি ফাঁড়ী পুলিশ সদর দঃ থানা পুলিশ অবৈধ সুবিধা নিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করছে ব্যাস্ততম মহাসড়কের অর্ধেকের বেশী অংশ বন্ধ করে এই বাসষ্টান্ড। যাত্রী হয়রানী সহ প্রকাশ্যে চলেছে চাঁদাবাজি পুলিশ প্রশাসনের সামনে। প্রতিদানে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ টাকা যার একটি অংশের ভাগ পুলিশ কে দিতে হয় বলেও জানায় এই সব দালাল সিন্ডিকেটের সদস্যরা ।

এবিষয়ে পরিবহন শ্রমিকদের দাবী নিয়মিত থানায় টোকেন(মান্তি) দিয়েই এই এই ষ্ট্যান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন এই মহসড়ক অপব্যবহার যদি এখনোই নিয়ন্তন না আনা যায় তবে ভবিষৎতে বিশাল আকার ধারন করবে বলে জানায় স্থানীয় এলাকাবাসী এবং বিশিষ্টজনরা ।

সাইফুল ইসলাম শিশির
এফ টিভি নিউজ, কুমিল্লা

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*